1. live@gramintv24.com : Gramin TV 24 : Gramin TV 24
  2. info@www.gramintv24.com : Gramin TV 24 :
সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০২:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ধামরাইয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ বাস্তবায়নের আহ্বান আলোচনা সভায়:- ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ, ধামরাইয়ে আসামি ধরতে গিয়ে পুলিশের ওপর হামলা, যুবদল নেতা সহ গ্রেপ্তার ২ ধামরাইয়ে ব্যাটারি কারখানায় সংঘবদ্ধ ডাকাতি: দুই পিকআপসহ মালামাল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩ দেবিদ্ধারে ৩৯ বক্স খেজুর—দেশজুড়ে প্রশ্ন, ‘বাকি আসনের খেজুর কোথায়?’ নাটোরে ওসির সামনেই ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ, যুবদল নেতা রাকিব আটক ধামরাইয়ে নিজ অর্থায়নে রাস্তা নির্মাণ ও সংস্কার: মানবতার নজির গড়লেন ডা. শহিদুল্লা কাওসার ধামরাইয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম–এর দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত নেত্রকোণায় চোরাকারবারিদের হামলায় ৬ ডিবি পুলিশ ও সাংবাদিক আহত, আটক ১৫ বরিশালে স্ত্রীকে দিয়ে হানিট্র্যাপ, ভিডিও ধারণ করে চাঁদাবাজি — বরিশালে চক্রের হোতাসহ তিনজন গ্রেপ্তার ১৮ মাস পর শ্রীনগরে আ.লীগের ইউনিয়ন কার্যালয় খুলে ভাইরাল ভিডিও, খতিয়ে দেখছে পুলিশ,

ভয়াল ১২ নভেম্বর ঘূর্ণিঝড় গোর্কির আঘাতে ভোলায় মারা যায় ৫ লাখেরও বেশি মানুষ, 

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১১৫ বার পড়া হয়েছে

 

ভোলা প্রতিনিধি ঃ

আজ ভয়াল ১২ নভেম্বর। ১৯৭০ সালের এদিনে প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় গোর্কির আঘাতে দক্ষিণাঞ্চলের ১০ লাখেরও বেশি ঘর-বাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় ৩৬ লাখ মানুষ। শুধু ভোলাতেই মারা যায় অন্তত পাঁচ লাখ। ঘটনার ৫৫ বছর পরও সেই দুঃসহ স্মৃতি ভুলতে পারছে না দক্ষিণ জনপদের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষরা।
সত্তর সালের ১২ নভেম্বর রাতে ভয়াল ঘূর্ণিঝড় গোর্কির ছোবলে লন্ড-ভন্ড হয়ে গিয়েছিলো ভোলার বিস্তীর্ণ জনপদ। জেলার মনপুরা, চর নিজাম, ঢালচর, কুকরি-মুকরিসহ গোটা এলাকা মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছিলো। স্থানীয়দের মতে অন্তত পাঁচ লাখ মানুষ মারা গিয়েছিলো ভোলায়।
সেই দিন এমন কোন গ্রাম ছিলোনা, যে গ্রামের কেউ না কেউ মারা যায়নি। আশ্রয়কেন্দ্র না থাকায় গাছে উঠে প্রাণ বাঁচায় অনেকে। ঘর-বাড়ি ফসল আর প্রিয়জন হারিয়ে শোকে কাতর হয়ে পড়েন ভোলার মানুষ। গোর্কির আঘাত এবং জলোচ্ছ্বাসের ভয়াবহতা এতই নির্মম ছিলো যে সেই দিনের কথা মনে পড়লে আজও আতঙ্ক আর ভয়ে শিহরে ওঠে মানুষের প্রাণ।
সত্তরের পর ভোলায় বড় ধরণের কোন জলোচ্ছ্বাস না হলেও প্রতি বছরই ২/১ টি ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে দ্বীপটিতে। কিন্তু ঝড় মোকাবেলায় সরকারের সক্ষমতা বাড়ায় ক্ষয়ক্ষতি আর আগের মতো হয় না। তবে প্রয়োজন অনুযায়ী আশ্রয় কেন্দ্র নির্মিত না হওয়ায় বিভিন্ন চরাঞ্চল ও দুর্গম এলাকার ৩ লক্ষাধিক মানুষের দিন কাটে চরম নিরাপত্তাহীনতা ও ঝুঁকির মাঝে। এসব মানুষ ও তাদের সম্পদ রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছেন বলে দাবী প্রশাসনের।
মো: আজাদ জাহান,জেলা প্রশাসক, ভোলা জানায় আমার জেলার ৭ উপজেলায় ৮ শত ৬৯ টি আশ্রয় কেন্দ্র ও ৭৮ টি মাটির কিল্লা রয়েছে। এতে ৪ লাখ মানুষ এবং ৫০ হাজার গবাদি পশু আশ্রয় নিতে পারে যাু প্রয়োজনের তুলনায় খুবই অপ্রতুল।

 

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট